নরসিংদী ধেকে: বশির আহম্মেদ মোল্লা,
বয়স যখন ৫ থেকে ১০ বছর। তখনতো বাধাহীন জীবন। জীবনকে না বোঝার সময়। উচ্ছাসের সময়। স্কুল পালানোর সময়। কিন্তু কাব্যিক কথায় পৃথিবী চলে না। বিদ্যালয় পালানো শিক্ষার্থী দিয়েতো আর দেশ গঠন সম্ভব নয়। এজন্য বিদ্যালয়ের প্রায় শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধ করার জন্য মিড ডে মিল অন্যতম হাতিয়ার।
গবেষনার দরকার নেই স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় বিদ্যালয়ে অবস্থানকালের একটি লম্বা সময় শিক্ষার্থীদের অভূক্ত থাকতে হয়। আর ইংরেজীতে প্রবাদ বাক্য ‘ঐঁহমৎু সধহ রং ধহমৎু সধহ’ এজন্যই দরকার মিড ডে মিল। এটি শিশুর শরীরের বিকাশ, মেধার বিকাশের জন্য জরুরী। একটি লম্বা সময় যদি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন অভূক্ত থাকে তাহলে সে শিক্ষার্থী দিয়ে লম্বা সময়ের জন্য বিদ্যালয়ের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। স্কুল বিরতিতে নিদির্ষ্ট সময় পর আহার গ্রহণই হচ্ছে মিড ডে মিল। এজন্য দরকার টিফিন বক্স আর নিয়মিত খাবার নিয়ে আসা। পলাশ উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন বক্স প্রদান করা হয়েছে এবং এগুলো নিয়ে আসতে শিক্ষকদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সক্ষম ব্যক্তিদের ছেলে মেয়েরা এভাবেই প্রতিদিন বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসছে। অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবানদের পক্ষ থেকে কিংবা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুপুরের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। মূলত বিষয়টি হচ্ছে চর্চার এবং সচেতনতার। প্রতিটি অভিবাবককে অবশ্যই তার সন্তানদের খাদ্যের বিষয়ে সচেতন এবং সর্তক হতে হবে। দুপুরের খাবারটি যেহেতু এ বয়সী বাচ্চাদের শরীর গঠনের জন্য জরুরী। সে জন্য দামী খাবার নয় বরং পুষ্টিকর খাবারই হতে পারে তাদের জন্য নিয়ামক। ভাত, শাক কিংবা ডাল, ডিম এগুলোই যথেষ্ট। আর না হলে সবজি খিচুড়ি খাবার গ্রহনের পর শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়ে উঠে। এর ফলে বিদ্যালয় পালানোর প্রবনতা কমছে এবং একই সাথে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পলাশ উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকদের এ বিষয়ে সচেতন করার পর ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের চেয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেড়েছে ২.৬০% অন্যদিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। মিড ডে মিল মূলতপক্ষে বিদ্যালয়ের উপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া রোধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। প্রায় প্রতিটি অভিবাবক/ শিক্ষকই বর্তমান সময়ে মিড ডে মিলের গুরুত্ব অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে পলাশের ৬৪ টি বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।
বয়স যখন ৫ থেকে ১০ বছর। তখনতো বাধাহীন জীবন। জীবনকে না বোঝার সময়। উচ্ছাসের সময়। স্কুল পালানোর সময়। কিন্তু কাব্যিক কথায় পৃথিবী চলে না। বিদ্যালয় পালানো শিক্ষার্থী দিয়েতো আর দেশ গঠন সম্ভব নয়। এজন্য বিদ্যালয়ের প্রায় শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধ করার জন্য মিড ডে মিল অন্যতম হাতিয়ার।
গবেষনার দরকার নেই স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় বিদ্যালয়ে অবস্থানকালের একটি লম্বা সময় শিক্ষার্থীদের অভূক্ত থাকতে হয়। আর ইংরেজীতে প্রবাদ বাক্য ‘ঐঁহমৎু সধহ রং ধহমৎু সধহ’ এজন্যই দরকার মিড ডে মিল। এটি শিশুর শরীরের বিকাশ, মেধার বিকাশের জন্য জরুরী। একটি লম্বা সময় যদি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন অভূক্ত থাকে তাহলে সে শিক্ষার্থী দিয়ে লম্বা সময়ের জন্য বিদ্যালয়ের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। স্কুল বিরতিতে নিদির্ষ্ট সময় পর আহার গ্রহণই হচ্ছে মিড ডে মিল। এজন্য দরকার টিফিন বক্স আর নিয়মিত খাবার নিয়ে আসা। পলাশ উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন বক্স প্রদান করা হয়েছে এবং এগুলো নিয়ে আসতে শিক্ষকদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সক্ষম ব্যক্তিদের ছেলে মেয়েরা এভাবেই প্রতিদিন বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসছে। অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবানদের পক্ষ থেকে কিংবা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুপুরের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। মূলত বিষয়টি হচ্ছে চর্চার এবং সচেতনতার। প্রতিটি অভিবাবককে অবশ্যই তার সন্তানদের খাদ্যের বিষয়ে সচেতন এবং সর্তক হতে হবে। দুপুরের খাবারটি যেহেতু এ বয়সী বাচ্চাদের শরীর গঠনের জন্য জরুরী। সে জন্য দামী খাবার নয় বরং পুষ্টিকর খাবারই হতে পারে তাদের জন্য নিয়ামক। ভাত, শাক কিংবা ডাল, ডিম এগুলোই যথেষ্ট। আর না হলে সবজি খিচুড়ি খাবার গ্রহনের পর শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়ে উঠে। এর ফলে বিদ্যালয় পালানোর প্রবনতা কমছে এবং একই সাথে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পলাশ উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকদের এ বিষয়ে সচেতন করার পর ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের চেয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেড়েছে ২.৬০% অন্যদিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। মিড ডে মিল মূলতপক্ষে বিদ্যালয়ের উপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া রোধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। প্রায় প্রতিটি অভিবাবক/ শিক্ষকই বর্তমান সময়ে মিড ডে মিলের গুরুত্ব অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে পলাশের ৬৪ টি বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে এটি প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।
0 comments:
Post a Comment