মো.সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার।।
বিন্দু বিন্দু বালি জমে গড়ে উঠেছে মন মাতানো চর যার নাম ঐতিহাসিক ধাঁধার চর।এই চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮" ব্যাচ সংগঠনের সদস্যরা সেখানে মিলিত হোন।
৩০ নভেম্বর শুক্রবার ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী খেয়াঘাট থেকে এ সংগঠনের ৪৭ জন সদস্য নদী পথে ধাঁধার চরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।অবশেষে দীর্ঘ নদী পথ পাড়ি দিয়ে ঐতিহাসিক ধাঁধার চরে পৌছে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮"ব্যাচ সংগঠনের সদস্যরা।
সবার সাথে সরেজমিনে দেখার জন্য এই চরের কাছাকাছি যখন চলে আসি তখন এটাকে একটা টাইটানিক জাহাজের মতো লাগছিলো,যেন ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজ এখানে অবস্থান করছে।আবার কখনো চরটি নৌকা আকৃতির মতো লাগছিলো।নদীর চারপাশে জলের স্রোত ধারা দৃশ্য সত্যিই চোখে পড়ার মতো।ধাঁধার চরে প্রবেশ করার পর প্রাকৃতিক সবুজ শ্যামল দৃশ্য যতই দেখছি আর ততই মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম।হয়তো পুরোটা বিশ্লেষন করার ভাষা খুঁজে পাবোনা।
ধাঁধার চরের দুই পাশে দুটি জেলা নরসিংদী ও গাজীপুর।ব্রম্মপুত্র শাখা নদীর শীতলক্ষ্যা নদীতে জেগে উঠেছে এই চর।অনেকে আবার এই চরকে মাঝের চর বলেও চিনে।গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা শহরের মধ্য দিয়ে কালীগঞ্জ,রুপগঞ্জ,সিদ্ধিরগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদরের ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত নৌকা আকৃতির এক বিশাল চর,এরই নাম ধাঁধারচর।এ চরটি লাখপুর,তারাগঞ্জ,রানীগঞ্জ ও চরসিন্ধুরের মাঝখানে অবস্থিত।এর আয়তন প্রায় আড়াইশ'একর।চরের উত্তর-দক্ষিনে শীতলক্ষ্যা নদী,পূর্বে ব্রক্ষ্মপুত্র নদ।দুই দিকে দুই উপজেলা শিবপুর ও কাপাসিয়া।চরটি লম্বায় চার কিলোমিটার,চওরায় বর্ষায় আধা কিলোমিটার।এই শীতে আরো বিস্তৃত হবে।
বিন্দু বিন্দু বালি জমে গড়ে উঠেছে মন মাতানো চর যার নাম ঐতিহাসিক ধাঁধার চর।এই চরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮" ব্যাচ সংগঠনের সদস্যরা সেখানে মিলিত হোন।
৩০ নভেম্বর শুক্রবার ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী খেয়াঘাট থেকে এ সংগঠনের ৪৭ জন সদস্য নদী পথে ধাঁধার চরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।অবশেষে দীর্ঘ নদী পথ পাড়ি দিয়ে ঐতিহাসিক ধাঁধার চরে পৌছে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮"ব্যাচ সংগঠনের সদস্যরা।
সবার সাথে সরেজমিনে দেখার জন্য এই চরের কাছাকাছি যখন চলে আসি তখন এটাকে একটা টাইটানিক জাহাজের মতো লাগছিলো,যেন ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজ এখানে অবস্থান করছে।আবার কখনো চরটি নৌকা আকৃতির মতো লাগছিলো।নদীর চারপাশে জলের স্রোত ধারা দৃশ্য সত্যিই চোখে পড়ার মতো।ধাঁধার চরে প্রবেশ করার পর প্রাকৃতিক সবুজ শ্যামল দৃশ্য যতই দেখছি আর ততই মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম।হয়তো পুরোটা বিশ্লেষন করার ভাষা খুঁজে পাবোনা।
ধাঁধার চরের দুই পাশে দুটি জেলা নরসিংদী ও গাজীপুর।ব্রম্মপুত্র শাখা নদীর শীতলক্ষ্যা নদীতে জেগে উঠেছে এই চর।অনেকে আবার এই চরকে মাঝের চর বলেও চিনে।গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা শহরের মধ্য দিয়ে কালীগঞ্জ,রুপগঞ্জ,সিদ্ধিরগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদরের ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত নৌকা আকৃতির এক বিশাল চর,এরই নাম ধাঁধারচর।এ চরটি লাখপুর,তারাগঞ্জ,রানীগঞ্জ ও চরসিন্ধুরের মাঝখানে অবস্থিত।এর আয়তন প্রায় আড়াইশ'একর।চরের উত্তর-দক্ষিনে শীতলক্ষ্যা নদী,পূর্বে ব্রক্ষ্মপুত্র নদ।দুই দিকে দুই উপজেলা শিবপুর ও কাপাসিয়া।চরটি লম্বায় চার কিলোমিটার,চওরায় বর্ষায় আধা কিলোমিটার।এই শীতে আরো বিস্তৃত হবে।
ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮" ব্যাচ সংগঠনের সভাপতি এম.এন.আলম ও অন্যান্য সদস্যরা জানান,ব্যস্ত জীবনের খানিকটা ইতি ঘটিয়ে আমাদের সংগঠনের বন্ধুরা এখানে চলে আসলাম।এই চরের বিশাল জায়গা ও প্রাকৃতিক দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তুলেছে।চার পাশের পরিবেশটা সুন্দর ও ঝামেলামুক্ত।গ্রামীন পর্যটন শিল্পে এই চরটিকে বাস্তবায়ন করলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে দুই পারের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তারাগঞ্জ আর রানীগঞ্জ এর মাঝ সিমানায় অবস্থিত ধাঁধারচর কৃষিকাজের জন্য উপযুক্ত একটি জায়গা।এটার সঠিক রক্ষনাবেক্ষণ যদি করা যায় তাহলে কৃষি,পশুপালন ও অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখবে।এখানে পর্যটন কেন্দ্র ও কৃষিকাজের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
খবর বিভাগঃ
পলাশ উপজেলা
বিনোদন




0 comments:
Post a Comment