মো:সাব্বির হোসেন,নরসিংদী খবর:ব্লাড ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে না
ফেরার দেশে চলে গেলেন নরসিংদীর পলাশের মেধাবী স্কুল ছাত্র সাহিদ মিয়া।
রবিবার দুপুর ১২টায় ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দক্ষিন চরপাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালের মেধাবী ছাত্র সাহিদ মিয়া (১১) ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।
তার বড় ভাই কাউসার জানান,২০১৭সালের ফেব্রুয়ারিতে সাহিদ মিয়ার শরীরে মরণব্যাধী ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।তখন তার চিকিৎসার জন্য ঢাকার মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইন্সটিটিউট হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়।সেই থেকে তাকে সুস্থ করার জন্য আমার পরিবারের প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায়।এক পর্যায়ে টাকা না থাকায় নিরুপায় হয়ে সবার কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানানো হয়।পরে কয়েকটি সংগঠন ও কিছু ব্যক্তি সাহিদের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়ায়।চার মাস চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে সাহিদ মিয়াকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।কয়েক মাস ভাল থাকার পর আবার অসুস্থ হলে তাকে মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইন্সটিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।ভর্তি করার পর ডাক্তার জানায়,তাকে সুস্থ রাখার জন্য প্রচুর টাকা লাগবে।আর তা না হলে তাকে বাড়ে ফেরত নিয়ে যান।কিন্তু এতো টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেনি।তাই তাকে বাসায় নিয়ে আসি।বাসায় দেড় মাস থাকার পর রবিবার দুপুর ১২টায় সাহিদ মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
বাদ আসর ঘোড়াশাল বাজার ঈদগাহ মাঠে সাহিদ মিয়ার জানাযা পড়ান বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমিন।জানাযা শেষে তাকে ঘোড়াশালে দাফন করা হয়।
রবিবার দুপুর ১২টায় ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দক্ষিন চরপাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালের মেধাবী ছাত্র সাহিদ মিয়া (১১) ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।
তার বড় ভাই কাউসার জানান,২০১৭সালের ফেব্রুয়ারিতে সাহিদ মিয়ার শরীরে মরণব্যাধী ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।তখন তার চিকিৎসার জন্য ঢাকার মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইন্সটিটিউট হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়।সেই থেকে তাকে সুস্থ করার জন্য আমার পরিবারের প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায়।এক পর্যায়ে টাকা না থাকায় নিরুপায় হয়ে সবার কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানানো হয়।পরে কয়েকটি সংগঠন ও কিছু ব্যক্তি সাহিদের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়ায়।চার মাস চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে সাহিদ মিয়াকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।কয়েক মাস ভাল থাকার পর আবার অসুস্থ হলে তাকে মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইন্সটিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।ভর্তি করার পর ডাক্তার জানায়,তাকে সুস্থ রাখার জন্য প্রচুর টাকা লাগবে।আর তা না হলে তাকে বাড়ে ফেরত নিয়ে যান।কিন্তু এতো টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেনি।তাই তাকে বাসায় নিয়ে আসি।বাসায় দেড় মাস থাকার পর রবিবার দুপুর ১২টায় সাহিদ মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
বাদ আসর ঘোড়াশাল বাজার ঈদগাহ মাঠে সাহিদ মিয়ার জানাযা পড়ান বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমিন।জানাযা শেষে তাকে ঘোড়াশালে দাফন করা হয়।
খবর বিভাগঃ
নরসিংদী
পলাশ উপজেলা

0 comments:
Post a Comment