নরসিংদীর পলাশে রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে গ্রামবাসী সেই সাথে পুলিশের টহল ব্যবস্থা জোরদার করা সত্বেও থামছেনা ঢাকাতি।একের পর এক ঢাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে।গত দুই মাসে ঘোড়াশাল পৌর এলাকাগুলোতে প্রায় দশটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।পৌর এলাকার বাঙ্গালপাড়া,দক্ষিন পলাশ,পরিমল মাস্টারের বাড়ি,পাইকসা,টেকপাড়া,ভাড়ারিয়া পাড়া,তেলিখরাপাড়া,গুরুদাসের বাড়ি,ধলাদিয়া গ্রামের অজিতদত্তের বাড়িতে ডাকাতদল হানা দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার,টিভি,নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।এসময় ডাকাতদল বাড়ির লোকজনক বাধা দিতে গেলে পিঠিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে পালিয়ে যায়।এসব ডাকাতির ঘটনার জেরে নিজেদের জানমাল রক্ষার জন্য রাত জেগে পাহারা বসায় গ্রামবাসী।রাতের বেলায় পৌর এলাকার পাইকশা,দক্ষিন পলাশের যুবক,বৃদ্ধরা লোহার রড ও লাঠি নিয়ে গ্রামের রাস্তায় গুলোতে পাহারা দিচ্ছেন।তারা জানায়,ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়া পুলিশ প্রশাসন তেমন কোন ভূমিকা না নেওয়ায় নিজেরাই গ্রামে রাতের বেলায় পাহাড়ার ব্যবস্তা করেছেন।
ডাকাতির পাশাপাশি রাতের বেলায় ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশনে,টান ঘোড়াশাল,বাইপাশ সড়কের সামনে,কাবিলা সড়কে,ঘোড়াশাল বাংলাদেশ জুটমিলের সামনের রাস্তায়,ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা,ওমেরা ফ্যাক্টরি সামনের রাস্তায় মারধর করে সব কিছু নিয়ে যায় ছিনতাইকারী দল।ঘোড়াশাল পৌর মেয়র শরীফুল হক শরীফ জানান,গত কয়েকদিন ধরে ডাকাতির ঘটনায় গ্রামগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের নিয়ে কয়েক দফা সভা করে ডাকাত প্রবন এলাকাগুলোতে গ্রামবাসীর ঐক্যবদ্ধ করার ব্যবস্থা করেছি।পুলিশ প্রশাসনকেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বলা হয়েছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান বলেন,থানায় জনবল কম থাকায় তারা জোরালো কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছেন না।পুলিশের পক্ষ থেকে ডাকাতিপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটা ভাল।
কয়েকটি ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ জড়িতদের আটক ও করেছে।সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে তিন ঢাকাত আটক হবার পর জনমনে কিছুটা আতংক কেটে গেলেও আবার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় ঢাকাতি হওয়ার আতংকে দিন পার করছে গ্রামবাসী।
সর্বশেষ ২০ মার্চ মঙ্গলবার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার কাসমিরটেক গ্রামের সামসু মিয়ার বাড়িতে রাত আনুমানিক ২টার পর দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার নগদ টাকাসহ লুট করে নিয়ে যায়।এসময় বাধা দিতে গেলে আহত হয় নাসিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ।বাড়ির গৃহকর্তা সামসু মিয়া জানান,রাত আনুমানিক ২টার সময় ২০-২৫ জনের মুখোশধারী ঢাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে।দেশিয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা ঘরের আলমারীর লকার ভেঙে পাঁচ ভরি স্বর্ণ,নগদ ৫০ হাজার টাকা ও কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান জানান,এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।ডাকাতি বন্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ডাকাতির পাশাপাশি রাতের বেলায় ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশনে,টান ঘোড়াশাল,বাইপাশ সড়কের সামনে,কাবিলা সড়কে,ঘোড়াশাল বাংলাদেশ জুটমিলের সামনের রাস্তায়,ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা,ওমেরা ফ্যাক্টরি সামনের রাস্তায় মারধর করে সব কিছু নিয়ে যায় ছিনতাইকারী দল।ঘোড়াশাল পৌর মেয়র শরীফুল হক শরীফ জানান,গত কয়েকদিন ধরে ডাকাতির ঘটনায় গ্রামগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের নিয়ে কয়েক দফা সভা করে ডাকাত প্রবন এলাকাগুলোতে গ্রামবাসীর ঐক্যবদ্ধ করার ব্যবস্থা করেছি।পুলিশ প্রশাসনকেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বলা হয়েছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান বলেন,থানায় জনবল কম থাকায় তারা জোরালো কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছেন না।পুলিশের পক্ষ থেকে ডাকাতিপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটা ভাল।
কয়েকটি ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ জড়িতদের আটক ও করেছে।সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে তিন ঢাকাত আটক হবার পর জনমনে কিছুটা আতংক কেটে গেলেও আবার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় ঢাকাতি হওয়ার আতংকে দিন পার করছে গ্রামবাসী।
সর্বশেষ ২০ মার্চ মঙ্গলবার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার কাসমিরটেক গ্রামের সামসু মিয়ার বাড়িতে রাত আনুমানিক ২টার পর দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার নগদ টাকাসহ লুট করে নিয়ে যায়।এসময় বাধা দিতে গেলে আহত হয় নাসিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ।বাড়ির গৃহকর্তা সামসু মিয়া জানান,রাত আনুমানিক ২টার সময় ২০-২৫ জনের মুখোশধারী ঢাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে।দেশিয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা ঘরের আলমারীর লকার ভেঙে পাঁচ ভরি স্বর্ণ,নগদ ৫০ হাজার টাকা ও কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান জানান,এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।ডাকাতি বন্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
খবর বিভাগঃ
জাতীয়
নরসিংদী
পলাশ উপজেলা

0 comments:
Post a Comment