স্টাফ রিপোর্টার:নরসিংদীর পলাশে নেশার টাকার জন্য পাষন্ড স্বামী মামুন মিয়া জেসমিন বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূর মুখ গরম তেলে জ্বলসে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
গত শনিবার রাতে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের দরিরচরপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া নেশাগ্রস্থ অবস্থায় চুলায় থাকা রান্নার করার গরম তেল গৃহবধূর শরীরে ছুড়ে মারে।এতে তার মুখের অংশ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলসে যায়।
এঘটনায় বুধবার সন্ধায় নির্যাতিত গৃহবধূ পলাশ থানায় মামলা দায়ের করার পর তার শাশুড়ীকে আটক করে পুলিশ।অভিযুক্ত স্বামী মামুন মিয়া পলাতক রয়েছে।
গৃহবধূ জেসমিন বেগম বলেন,পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।বিয়ে হওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই নেশার টাকা এনে দেওয়ার জন্য আমাকে প্রায় সময় নির্যাতন করতো।স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কয়েকবার বাবার বাড়ি থেকে আমি টাকা এনে দিয়েছি।আমাদের পরিবারে আমার একটি চার বছরের মেয়ে আছে।তার মুখের দিকে তাকিয়ে নির্যাতন সহ্য করে সংসারে পড়ে আছি।এই ভাবেই চলছিল আমাদের সংসার জীবন।শনিবার রাতে নেশার জন্য আবার ও টাকা চায় আমি নেশার টাকা এনে দিতে পারবনা বলতেই চুলায় থাকা রান্নার করার গরম তেল আমার শরীরে ছুড়ে মারে।আমি চিৎকার শুরু করলে আশে পাশের মানুষ ছুটে আসলেও আমার স্বামী শাশুড়ী আমাকে ঘরের মধ্যে বন্ধি করে রাখে।
নরসিংদী সদর উপজেলার চম্পক গ্রামের নির্যাতিতার বাবা মোহাম্মদ আলী জানান,আমি খবর পেয়ে রবিবার সকালে ছুটে যায় তার স্বামীর বাড়ি।গিয়ে দেখতে পাই আমার মেয়ে ঘরের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।তখন তাকে আমি হাসপাতালে নিয়ে যাই।মেয়ের উপর নির্যাতন না করার জন্য ধার দেনা করে সত্তর হাজার টাকা এনে দেওয়ার পর ও আমার মেয়ে তার স্বামীর নির্যাতন থেকে রক্ষা পায়নি।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান বলেন,নির্যাতিত গৃহবধূ অভিযোগ দায়ের করার পর তার শাশুড়ীকে আটক করে পুলিশ।অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের অভিযান চলছে।
গত শনিবার রাতে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের দরিরচরপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া নেশাগ্রস্থ অবস্থায় চুলায় থাকা রান্নার করার গরম তেল গৃহবধূর শরীরে ছুড়ে মারে।এতে তার মুখের অংশ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলসে যায়।
এঘটনায় বুধবার সন্ধায় নির্যাতিত গৃহবধূ পলাশ থানায় মামলা দায়ের করার পর তার শাশুড়ীকে আটক করে পুলিশ।অভিযুক্ত স্বামী মামুন মিয়া পলাতক রয়েছে।
গৃহবধূ জেসমিন বেগম বলেন,পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।বিয়ে হওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই নেশার টাকা এনে দেওয়ার জন্য আমাকে প্রায় সময় নির্যাতন করতো।স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কয়েকবার বাবার বাড়ি থেকে আমি টাকা এনে দিয়েছি।আমাদের পরিবারে আমার একটি চার বছরের মেয়ে আছে।তার মুখের দিকে তাকিয়ে নির্যাতন সহ্য করে সংসারে পড়ে আছি।এই ভাবেই চলছিল আমাদের সংসার জীবন।শনিবার রাতে নেশার জন্য আবার ও টাকা চায় আমি নেশার টাকা এনে দিতে পারবনা বলতেই চুলায় থাকা রান্নার করার গরম তেল আমার শরীরে ছুড়ে মারে।আমি চিৎকার শুরু করলে আশে পাশের মানুষ ছুটে আসলেও আমার স্বামী শাশুড়ী আমাকে ঘরের মধ্যে বন্ধি করে রাখে।
নরসিংদী সদর উপজেলার চম্পক গ্রামের নির্যাতিতার বাবা মোহাম্মদ আলী জানান,আমি খবর পেয়ে রবিবার সকালে ছুটে যায় তার স্বামীর বাড়ি।গিয়ে দেখতে পাই আমার মেয়ে ঘরের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।তখন তাকে আমি হাসপাতালে নিয়ে যাই।মেয়ের উপর নির্যাতন না করার জন্য ধার দেনা করে সত্তর হাজার টাকা এনে দেওয়ার পর ও আমার মেয়ে তার স্বামীর নির্যাতন থেকে রক্ষা পায়নি।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সাইদুর রহমান বলেন,নির্যাতিত গৃহবধূ অভিযোগ দায়ের করার পর তার শাশুড়ীকে আটক করে পুলিশ।অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের অভিযান চলছে।
খবর বিভাগঃ
জাতীয়
নরসিংদী
পলাশ উপজেলা

0 comments:
Post a Comment