মো.সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:
সারাদেশের ন্যায় নরসিংদীতে শ্রমিক সংঘটনের ৮ দফা দাবি ও সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনে ডাকা ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা।সকালের দিকে শিবপুরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন অবরোধ করে রাখে ইটাখোলা বাস-ট্রাক ও কভারভ্যান শাখা কমিটির সদস্যরা।ধর্মঘটের নামে পাঁচদোনা এলাকায় শ্রমিকরা প্রাইভেটকার, সিএনজি ও রিকশা চালকদের মুখে কালি মেখে দেয়। তাদের কানে ধরিয়ে অপমান করা হয়।কিছু যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে লাঞ্চিত করে।এতে যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন তাহলে আমরা কার কাছে যাবে!শ্রমিকরা এ ধরনের লাঞ্চিত ও অন্যায় করার পরও তাদের বাঁধা দিতে কেউ এগিয়ে আসছেনা।
পাঁচদোনা-টংগী হয়ে ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।ঢাকা থেকে নরসিংদীর মহাসড়কে ও একই অবস্থা।এসব সড়কে যাত্রীবাহী বাস না পাওয়ায় দীর্ঘ সময় যাত্রীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।এমন দুর্ভোগের মধ্যদিয়েই অনেকে আবার পায়ে হেটে রওনা দিয়েছেন অফিসে।
নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন ও ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশনেও অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রী বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন।স্টেশনে ট্রেন পৌছার পর অনেক যাত্রী প্রচন্ড ভিড়ের কারনে উঠতে পারেনি।আবার কেউ কেউ জরুরী প্রয়োজনে ট্রেনের ছাদে উঠতে বাধ্য হয়েছেন।
সাহেপ্রতাপ বাস স্টেশন থেকে জাহাঙ্গীর আবেদিন জনি নামে এক যাত্রী বলেন,ধর্মঘটের কারনে বাস না পেয়ে সিএনজিতে যেতে চাইলে চালকেরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া চাচ্ছে।তাই কোন উপায় না পেয়ে চালকদের চাওয়া অনুযায়ী বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে। সিএনজি চালকদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছেনা।
স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকরা জানান,দাবি না মানা হলে ৩০ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যাবো আমরা।আশা করি এই সময়ের মধ্য সরকার আমাদের দাবি মেনে নিবে।
সারাদেশের ন্যায় নরসিংদীতে শ্রমিক সংঘটনের ৮ দফা দাবি ও সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনে ডাকা ৪৮ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা।সকালের দিকে শিবপুরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন অবরোধ করে রাখে ইটাখোলা বাস-ট্রাক ও কভারভ্যান শাখা কমিটির সদস্যরা।ধর্মঘটের নামে পাঁচদোনা এলাকায় শ্রমিকরা প্রাইভেটকার, সিএনজি ও রিকশা চালকদের মুখে কালি মেখে দেয়। তাদের কানে ধরিয়ে অপমান করা হয়।কিছু যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে লাঞ্চিত করে।এতে যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন তাহলে আমরা কার কাছে যাবে!শ্রমিকরা এ ধরনের লাঞ্চিত ও অন্যায় করার পরও তাদের বাঁধা দিতে কেউ এগিয়ে আসছেনা।
পাঁচদোনা-টংগী হয়ে ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।ঢাকা থেকে নরসিংদীর মহাসড়কে ও একই অবস্থা।এসব সড়কে যাত্রীবাহী বাস না পাওয়ায় দীর্ঘ সময় যাত্রীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।এমন দুর্ভোগের মধ্যদিয়েই অনেকে আবার পায়ে হেটে রওনা দিয়েছেন অফিসে।
নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন ও ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশনেও অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রী বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন।স্টেশনে ট্রেন পৌছার পর অনেক যাত্রী প্রচন্ড ভিড়ের কারনে উঠতে পারেনি।আবার কেউ কেউ জরুরী প্রয়োজনে ট্রেনের ছাদে উঠতে বাধ্য হয়েছেন।
সাহেপ্রতাপ বাস স্টেশন থেকে জাহাঙ্গীর আবেদিন জনি নামে এক যাত্রী বলেন,ধর্মঘটের কারনে বাস না পেয়ে সিএনজিতে যেতে চাইলে চালকেরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া চাচ্ছে।তাই কোন উপায় না পেয়ে চালকদের চাওয়া অনুযায়ী বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে। সিএনজি চালকদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছেনা।
স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকরা জানান,দাবি না মানা হলে ৩০ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যাবো আমরা।আশা করি এই সময়ের মধ্য সরকার আমাদের দাবি মেনে নিবে।
খবর বিভাগঃ
জাতীয়
নরসিংদী সদর

0 comments:
Post a Comment