মেয়েটি বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরুর পর থেকেই একটি ছেলে তার পিছু নেয়।অফিসে আসার পর মেয়েটি আনসার সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন,এই ছেলেটিকে আমি চিনিনা।ছেলেটা আমাকে প্রায় দিনই ডিস্টার্ব করে।তখন অফিসের মানুষ ঝড়ো হতে লাগল এবং একপর্যায়ে ছেলেটিকে মারার জন্য ধরে ফেলে।এমন পরিস্থিতিতে একজন বলে উঠল ছেলেটি যেনো তার বক্তব্য তুলে ধরে।তখন ছেলেটি বলল মেয়েটির সাথে আমার দীর্ঘ দিনের পরিচয়।এবং গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে।মেয়েটির সাথে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গিয়ে ছেলেটি অনেক গুলো ছবি তুলেছে যা সবাইকে দেখানোর পর সবাই নিশ্চুপ হয়ে যায়।মেয়েটি ছেলের সাথে এমন আচরন করার পিছনে কয়েকটি কারনের মধ্য একটি হলো শোরুম থেকে কিস্তিতে একটি ফ্রিজ কিনে দেয় মেয়েটিকে।তার জামিনদার হলেন তার প্রেমিক এই ছেলেটি।কিন্তু কয়েকটি কিস্তি পরিশোধ করার পর সেটিও বন্ধ করে দেয় মেয়েটি।তারপর থেকে তার প্রেমিককে আর পাত্তা দিচ্ছেন মেয়েটি।তাই তার সাথে ছেলেটি বাসা থেকে পিছু নেয় মেয়েটির অফিসে যেনো ফ্রিজের কিস্তির টাকা আদায় করতে পারে।কিন্তু ছেলেটির ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ভালবাসার বিনিময়ে জনতার হাতে মার খাওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছিল যা কিনা একজন ভাল মানুষের জন্য এ যাত্রা থেকে বেঁচে গেলেন ছেলেটি।
কিছু শোনার পর কাউকে হঠাৎ বিশ্বাস করে আমরা এমন কিছু না করি যার জন্য একজন মানুষকে আঘাতপ্রাপ্ত হতে হয়।তাই আজকের সকালে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে আমার লেখা।
মো.সাব্বির হোসেন,নরসিংদী খবর।১৪/১০/২০১৮ ইং।
কিছু শোনার পর কাউকে হঠাৎ বিশ্বাস করে আমরা এমন কিছু না করি যার জন্য একজন মানুষকে আঘাতপ্রাপ্ত হতে হয়।তাই আজকের সকালে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে আমার লেখা।
মো.সাব্বির হোসেন,নরসিংদী খবর।১৪/১০/২০১৮ ইং।

0 comments:
Post a Comment