Saturday, May 12, 2018

পলাশে জুটমিল শ্রমিকের ক্যান্সার,সাহায্যের আবেদন

মো:সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:
যে বয়সে পরিবার নিয়ে সুখে থাকার কথা সে বয়সে মিল শ্রমিক মাইনউদ্দীনের জীবন এখন মরনের দ্বারপ্রান্তে।সংগ্রামী জীবনের কাছে নিয়তি যখন পরাস্থ,তখন আঘাত হানে মরনব্যাধী ক্যান্সার।নিয়তির এমন এক নির্মমতা একটি প্রানের উপর স্ত্রী সন্তান সহ পাঁচ জনকে নির্ভর করতে হচ্ছে।জীবনের শেষপ্রান্তে এসে অমানিশার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে মাইনউদ্দীনের জীবন।বর্তমানে প্রায় ১কেজি ওজনের টিউমার নিয়ে দুর্বিষহ সময় পার করতে হচ্ছে তাকে।
রসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ভাগদী গ্রামের সলিমউদ্দীনের বড় ছেলে মাইনউদ্দীন।দেড় বছর আগে নাকের ভিতর ছোট টিউমার থেকে এখন প্রায় ১কেজি ওজনের টিউমার বহন করছেন তিনি।এই টিউমার থেকেই ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছেন।তার এমন অবস্থা দেখে অনেকেই ভয় পেয়ে যান।তাই গৃহবন্দি অবস্থায় টিউমারের অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে সময় কাটাতে হচ্ছে তাকে।
ঘোড়াশালে অবস্থিত বাংলাদেশ জুট মিলের শ্রমিক মাইনউদ্দীন(৫০) হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।দেড় বছর ধরে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা খরচ করে টাকার অভাবে পরিবারের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার খরচ বহন করাতে পারছেন না।এখন চিকিৎসা চালাতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন।
মাইনউদ্দীনের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় মাইনউদ্দীন ও তার পরিবারের সাথে।এসময় মাইনউদ্দীন জানান,অনেক ব্যথা ও কষ্ট নিয়ে আমার জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত পার করছি। নিজেকে নিয়ে আমার কোন স্বপ্ন নেই,শুধুই বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে আমার পরিবারের জন্য।সবার মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো জীবনের আরো কিছু সময় বেঁচে থাকতে পারবো।
মাইনউদ্দীনের স্ত্রী মোতিজা বেগম জানান,আমার স্বামীর দেড় বছর আগে নাকের ভিতর ছোট টিউমার ধরা পরে।স্থানীয় ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ও টিউমার থেকে মুক্তি মিলেনি।পরে ডাক্তারদের পরামর্শে ঢাকায় জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট তেজগাঁও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।চিকিৎসা চলাকালীন একপর্যায় ডাক্তার অপারেশন করে টিউমার সহ বামপাশের চোখ কেটে ফেলে।কয়েক মাস ভাল থাকার পর কেটে ফেলার চোখের উপর থেকে টিউমার হয়ে আস্তে আস্তে বড় হয়ে যায়।পরে আবার সেই হাসপাতালে ভর্তি করলে এক্সরে করে ডাক্তার জানায় তার ক্যান্সার হয়েছে।দেড় বছর ধরে চিকিৎসা চালিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।এখন টাকার অভাবে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছিনা।আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য সকলের সাহায্য ও সরকারে সহযোগিতা কামনা করছি।

শেয়ার করুন

0 comments: