মো:সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:প্রতারক চক্র মোবাইল কোম্পানীর কাস্টমার কেয়ারের নাম ভাঙ্গিয়ে লোভনীয় পুরস্কারের ফাঁদে ফেলে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।দুর্ভাগ্যজনকভাবে কেউ হয়তো ইতোমধ্যে এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। লটারী বা বোনাস টক টাইমের নামে প্রতারণা অথবা বিদেশ ভ্রমনের জন্য নির্বাচিত হওয়ার কথা বলে মোবাইলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর এখন কমবেশি সবার জানা।আবার অনেক গ্রাহক সচেতন থাকায় প্রতারক চক্র তাদের ফাঁদে আটকাতে পারছেনা।প্রায় ১৩ কোটিরও বেশি মোবাইল ফোন গ্রাহকদের স্বার্থে ও তাদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিবেদনটি শেয়ার করা করা হয়েছে।
মোবাইল গ্রাহকের সাথে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা তুলে ধরলাম।
ম্যাডাম আমি গ্রামীনফোন অফিস থেকে বলছি,আপনি বোনাস হিসেবে ১৪ লক্ষ টাকা পেয়েছেন।টাকাটা আপনি কিভাবে নিবেন এটা আমাকে কলব্যাক করে জানান।আমি প্রথমে একটু চিন্তায় পরে গেলাম।পরে আমি এই বিষয়টি আমার পরিচিত একজনকে জানালে তিনি বলেন এটি সম্পূর্ণ ভূয়া।এই ধরনের কোন অফার গ্রামীনফোন সহ অন্যান্য মোবাইল কোম্পানি অফার করেনা।পরে বুঝতে পেরেছি এটা গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারক চক্রের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজ।
ম্যাডাম আমি গ্রামীনফোন অফিস থেকে বলছি,আপনি বোনাস হিসেবে ১৪ লক্ষ টাকা পেয়েছেন।টাকাটা আপনি কিভাবে নিবেন এটা আমাকে কলব্যাক করে জানান।আমি প্রথমে একটু চিন্তায় পরে গেলাম।পরে আমি এই বিষয়টি আমার পরিচিত একজনকে জানালে তিনি বলেন এটি সম্পূর্ণ ভূয়া।এই ধরনের কোন অফার গ্রামীনফোন সহ অন্যান্য মোবাইল কোম্পানি অফার করেনা।পরে বুঝতে পেরেছি এটা গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারক চক্রের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজ।
গ্রামীনফোন থেকে জানা যায়,আমরা এই ধরনের কোন অফার গ্রাহকদের করে থাকিনা।গ্রাহকদের সাথে সেবা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে কথা বলতে আমরা ১২১নাম্বার ব্যবহার করি।অন্য কোন নাম্বার থেকে ফোন করে গ্রামীনফোনের পরিচয় দিয়ে গ্রাকদের যেকোন অফার করলে আমাদের কলসেন্টার ১২১ অথবা নিকটস্থ গ্রামীনফোন সেন্টারে অভিযোগ জানাতে পারেন।
এমন একটি ঘটনা গ্রাহকের সাথে ঘটে যেতে পারে। প্রতারক চক্রের সদস্যরা মোবাইল গ্রাহক ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের মোবাইল নাম্বারসহ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে।এরপর তাদের সদস্যরা গ্রাহককে অনুসরণ করবে।গ্রাহক যখন রাস্তায় অবস্থান করবে তখন মোবাইল কোম্পানীর নামে তার কাছে ফোন কল আসবে।সুন্দর কন্ঠ ও অত্যন্ত মার্জিত বাসায় বলা হবে স্যার/ম্যাডাম আজ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের কাজ চলছে তাই অনুগ্রহপূর্বক ১ঘন্টা মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখতে হবে।আর যদি স্যার/ম্যাডাম এমনটি না করেন তাহলে ভাইরাস ঢুকে দামি মোবাইল ফোনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।এই কথা গুলো শুনে যখন গ্রাহক তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে রাখবে তখনই প্রতারক চক্রের সদস্যরা তার পরিবারের কাছে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে জানাবে।আর ২০ মিনিটের ভিতর আপনাদের হাসপাতালে আসতে হবে।প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে রক্ত লাগবে ঔষুধ কিনতে হবে।এই কথা গুলো শুনার পর তার পরিবার আত্মীয়স্বজন মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তাদের কথা বিশ্বাস করে ফেলবে।তখন এতো অল্প সময়ে হাসপাতালে প্রিয় মানুষটিকে বাঁচানোর জন্য যাওয়া সম্ভব হবেনা।ঠিক সেই মুহুর্তেই প্রতারক চক্র তাদের বিকাশ নাম্বার দিয়ে হাজার হাজার টাকা পাঠাতে বলবে।পরিবারের নিজের বিকাশ নাম্বার না থাকলে গ্রাম/মহল্লার দোকান থেকে টাকা পাঠাতে বলবে।এমনি এক অভিনব পন্থায় প্রতারনা ও হয়রানির মাধ্যমে মোবাইল গ্রাহকদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।তাই মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরো সচেতন হতে হবে।মোবাইল গ্রাহকদের আরো সাবধান হতে হবে।
0 comments:
Post a Comment