মোঃসাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:"রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ" এমনি এক দিনে নরসিংদীর পলাশে কয়েক হাজার বিনোদন প্রেমী মানুষ ঝড়ো হয়ে ঈদ উৎসবে মেতে উঠেছে।
শীতলক্ষ্যা নদীর উপর ঘোড়াশাল ব্রীজ ও রেলওয়ে স্টেশনে ঈদের দিন হাজারো বিনোদন প্রেমী মানুষ একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার দৃশ্য চোখে পড়ার মতো।ট্রেন,বাস ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলের জন্য ৩টি ব্রীজ থাকায় এই স্থানটি বিনোদন প্রেমী মানুষের কাছে সময়ের পালাক্রমে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।বিভিন্ন উৎসবে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে ভিড় জমায় দর্শনার্থী ও বিনোদনপ্রেমী পরিবারগুলো।পলাশ উপজেলাসহ গাজিপুরের কালিগঞ্জ ও দেশের অন্যান্য স্থান থেকে হাজারো বিনোদন প্রেমী মানুষ জীবনের খানিকটা ইতি টেনে বিকেল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বন্ধু-বান্ধব,পরিবার পরিজন,আত্মীয়স্বজন,স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ,কবি,লেখক, রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক,ডাক্তার ও পেশাজীবী মানুষ ছুটে আসে আসে এখানে।সুন্দর মুহুর্তগুলো ক্যামেরা বন্ধী করতে কেউ বন্ধুদের নিয়ে,কেউ সহপাঠীদের নিয়ে,কেউবা বাবা মা,আত্নীয়স্বজনদের সঙ্গে সেলফি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্টেশন ঘিরে বসেছে বিভিন্ন দোকান পাঠ,কেনা বেঁচা চলছে তুমুল। মানুষের আনন্দের শেষ নেই।
দর্শনার্থী কালিগঞ্জের শামিমা আক্তার বলেন,এখানে ঘুড়তে এসে মুক্ত পরিবেশে হাজারো মানুষের মাঝে আনন্দ ভাগ করতে অনেক ভাল লাগছে।
পাঁচদোনার নাজিম হাসান বলেন,আমাদের বাড়ির পাশে ড্রিম হলি ডে পার্ক থাকলে ও এখানে উন্মুক্ত পরিবেশে ঘুরতে আসার মজাই আলাদা।সময় সুযোগ পেলে ঈদ ছাড়া ও মাঝে মাঝে এখানে ঘুরতে আসি।
ঘোড়াশালের আমির হোসেন বলেন,আমাদের এলাকায় কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় বিকল্প হিসেবে এই স্থানকে বেছে নিতে হয়েছে।তাছাড়া এখানের প্রাকৃতিক সুন্দর্যও কোন অংশে কম নয়।বিনোদন প্রেমী মানুষের জন্য ঘোড়াশালে ভালো মানের একটি পার্ক থাকলে অনেক ভাল হতো।
অন্যান্য দর্শণার্থীরা আরো বলেন,এই স্টেশনটি এখন আমাদের জন্য বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পলাশ উপজেলায় তেমন কোনো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর ঘোড়াশাল রেলওয়ে ফ্ল্যাগ স্টেশন ও ৩টি ব্রীজ কে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে আমরা বেছে নিতে হচ্ছে।
খবর বিভাগঃ
জাতীয়
নরসিংদী সদর
পলাশ উপজেলা
0 comments:
Post a Comment