মো.ফরিদ মিয়া/মো.সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার।।
নরসিংদী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও নরসিংদী সদরের এমপি লেঃ কর্নেল (অবঃ) নজরুল ইসলাম হিরু (বীর বিক্রম) বলেন,আজ বাংলাদেশের সকল সংবাদ পত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নরসিংদীর নাম সজোরে উচ্চারিত হচ্ছে।এ উচ্চারনটি হলো গৌরবের নয়।আমি দুঃখের সাথে বলছি এ উচ্চরন গৌরবের নয়,বেদনার ও লজ্জার।যেহেতু নরসিংদী জেলা নিয়ে এমন সমালোচনা হচ্ছে সেটা ও এমন একটা সময়ে যেখানে মিডিয়াতে যা এসেছে ভিতরের খবর এবং হেডলাইন দুটার মধ্যে অনেক রকমের নানা হেডলাইন। আমার মতো সংবাদ পত্র পাঠকরা,লেখা পড়া কমজানা মানুষ যারা হেডলাইন নিয়েই আমরা সন্তুষ্ট থাকি।আমরা এই ধরনের খবর দেখে আতংকিত হই।সাংবাদিক ভাইয়েরা সকল খবরের কাগজে আসল বিষয়টা তুলে ধরেছেন।নরসিংদীর এই নাম ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সংবাদপত্রে যেভাবে এসেছে আমরা মানুষ এর সঙ্গে অত্যন্ত ব্যতিত হয়েছি।কিন্তু যে ঘটনাকে নিয়ে এই লেখা এবং চিত্র উঠে এসেছে ঘটনা সত্য।রায়পুরাতে সারাদিনব্যাপী দুপুর থেকে সন্ধা পর্যম্ত যারা মারামারি করেছে,হানাহানি করেছে।বিভিন্ন দেশি অস্ত্র নিয়ে আঘাত করেছে এমনকি গোলাগুলি ও করেছে।যাতে করে জানামতে ৪ জন নিহত হয়েছে।আরো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে।এই জিনিসগুলো অত্যন্ত বেদনাদায়ক আমাদের জন্য।কিন্তু মিডিয়াতে যেভাবে আসছে যে আওয়ামীলীগের মধ্যে এই মারামারি।এই ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ববোধের কারনেই আমরা এই জিনিসটা মিডিয়ার মাধ্যমে নরসিংদীর জনগন এবং সারাদেশের জনগনের মাঝে পরিস্কার করা প্রয়োজন রয়েছে বলেই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।
মূলকথা হলো গতকালের মারামারিতে যে ৪ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছে এই মারামারি আ.লীগের মারামারি নয়। আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই যে,এই মারামারিটা একান্তই ঐ খানের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই।এখানে আ.লীগের নাম আসাটা দুর্ভাগ্যজনক।আ.লীগ এখানে কোন পার্টি নয়।এই ধরনের মারামারি আমাদের নরসিংদীর চরাঞ্চলে শুধু নয় সারা বাংলাদেশের চরাঞ্চলেই এই ধরনের মারামারি প্রতিবছরই হয়ে থাকে।এবং বহু মানুষ হতাহত হয়ে থাকে।এখানে রায়পুরার বেলায় আ.লীগের নাম কেনো উঠে আসছে সেটাও আমি মনে করি যেটার কারনটা মোটেও যুক্তিযুক্ত নয় তথাপি কারনটা হলো রায়পুরা এমন একটা উপজেলা যেই উপজেলায় আ.লীগের একছত্র উপস্থিত এবং আধিপত্য রয়েছে।
নরসিংদীর রায়পুরায় দুই গ্রুপের সংষর্ষে ৪জন নিহত ও ৫০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় আ.লীগকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ভূইয়া,নরসিংদী সদর রায়পুরা উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান,রায়পুরা উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক সাদেকুর রহমান চেয়ারম্যান প্রমুখ।
নরসিংদী জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও নরসিংদী সদরের এমপি লেঃ কর্নেল (অবঃ) নজরুল ইসলাম হিরু (বীর বিক্রম) বলেন,আজ বাংলাদেশের সকল সংবাদ পত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নরসিংদীর নাম সজোরে উচ্চারিত হচ্ছে।এ উচ্চারনটি হলো গৌরবের নয়।আমি দুঃখের সাথে বলছি এ উচ্চরন গৌরবের নয়,বেদনার ও লজ্জার।যেহেতু নরসিংদী জেলা নিয়ে এমন সমালোচনা হচ্ছে সেটা ও এমন একটা সময়ে যেখানে মিডিয়াতে যা এসেছে ভিতরের খবর এবং হেডলাইন দুটার মধ্যে অনেক রকমের নানা হেডলাইন। আমার মতো সংবাদ পত্র পাঠকরা,লেখা পড়া কমজানা মানুষ যারা হেডলাইন নিয়েই আমরা সন্তুষ্ট থাকি।আমরা এই ধরনের খবর দেখে আতংকিত হই।সাংবাদিক ভাইয়েরা সকল খবরের কাগজে আসল বিষয়টা তুলে ধরেছেন।নরসিংদীর এই নাম ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সংবাদপত্রে যেভাবে এসেছে আমরা মানুষ এর সঙ্গে অত্যন্ত ব্যতিত হয়েছি।কিন্তু যে ঘটনাকে নিয়ে এই লেখা এবং চিত্র উঠে এসেছে ঘটনা সত্য।রায়পুরাতে সারাদিনব্যাপী দুপুর থেকে সন্ধা পর্যম্ত যারা মারামারি করেছে,হানাহানি করেছে।বিভিন্ন দেশি অস্ত্র নিয়ে আঘাত করেছে এমনকি গোলাগুলি ও করেছে।যাতে করে জানামতে ৪ জন নিহত হয়েছে।আরো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে।এই জিনিসগুলো অত্যন্ত বেদনাদায়ক আমাদের জন্য।কিন্তু মিডিয়াতে যেভাবে আসছে যে আওয়ামীলীগের মধ্যে এই মারামারি।এই ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ববোধের কারনেই আমরা এই জিনিসটা মিডিয়ার মাধ্যমে নরসিংদীর জনগন এবং সারাদেশের জনগনের মাঝে পরিস্কার করা প্রয়োজন রয়েছে বলেই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।
মূলকথা হলো গতকালের মারামারিতে যে ৪ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছে এই মারামারি আ.লীগের মারামারি নয়। আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই যে,এই মারামারিটা একান্তই ঐ খানের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই।এখানে আ.লীগের নাম আসাটা দুর্ভাগ্যজনক।আ.লীগ এখানে কোন পার্টি নয়।এই ধরনের মারামারি আমাদের নরসিংদীর চরাঞ্চলে শুধু নয় সারা বাংলাদেশের চরাঞ্চলেই এই ধরনের মারামারি প্রতিবছরই হয়ে থাকে।এবং বহু মানুষ হতাহত হয়ে থাকে।এখানে রায়পুরার বেলায় আ.লীগের নাম কেনো উঠে আসছে সেটাও আমি মনে করি যেটার কারনটা মোটেও যুক্তিযুক্ত নয় তথাপি কারনটা হলো রায়পুরা এমন একটা উপজেলা যেই উপজেলায় আ.লীগের একছত্র উপস্থিত এবং আধিপত্য রয়েছে।
নরসিংদীর রায়পুরায় দুই গ্রুপের সংষর্ষে ৪জন নিহত ও ৫০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় আ.লীগকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ভূইয়া,নরসিংদী সদর রায়পুরা উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান,রায়পুরা উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক সাদেকুর রহমান চেয়ারম্যান প্রমুখ।
খবর বিভাগঃ
নরসিংদী সদর

0 comments:
Post a Comment